Home

Bangladesh Learning Institutes

Latest Updates

একাদশ ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের প্রথম সাময়িক পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি। . পোস্টঃ- #আবির।

Hi there,We are back with our Football vocabularies. #BC

পবিত্র ঈদুল ফিতরে উপলক্ষে জানাই শুভেচ্ছা ও ভালবাসা। "ঈদ মোবারক"

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭০ তম বছরের শুভেচ্ছা সবাইকে।

৩৮ তম বিসিএস প্রশ্ন সমাধান (আংশিক) ১. বাংলাদেশের তৈরী প্রথম ন্যানো স্যাটেলাইটের নাম : ব্র্যাক অন্বেষা ২. বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিস্পত্তি করে কোন সংস্থা : International Tribunal for the Law of the Sea ৩. বাংলাদেশ সর্বাধিক পরিমান অর্থের পণ্য আমদানি করে : চীন থেকে ৪. মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ এবং পুনর্বাসন মন্ত্রী কে ছিলেন: এ এইচ এম কামরুজ্জামান ৫. কিসের ভিত্তিতে পূর্ব বাংলায় ভাষা আন্দোলন হয়েছিল : বাঙালী জাতীয়তাবাদ ৬. ১৯৫৪ সালে পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক নির্বাচনে যুক্ত ছিলেন না : নবাব স্যার সলিমুল্লাহ ৭. জুম চাষ হয় : খাগড়াছড়িতে ৮. চাকমা জনগোষ্ঠীর লোকসংখ্যা সর্বাধিক : রাঙামাটিতে জেলায় ৯. বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি হয় : ১৯৭৪ সালে ১০. বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে কৃষিখাতের অবদান : নিয়মিতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে ১১. বাংলাদেশের অন্যতম বিশেষায়িত ব্যাংক: বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ১২. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ এর সংবিধানের কোন ধারায় সকল নাগরিকের সমান অধিকারের কথা বলা হয়েছে : ধারা ২৭ ১৩. বাংলাদেশ ইকোনমিক রিভিউ ২০১৬ অনুসারে বাংলাদেশের শিশু মৃত্যুর হার (প্রতি হাজার জীবিত জন্মে): ৩১ জন ; [৩০জন] ১৪. ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদে প্রতিবছর বাংলাদেশের গড় প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষমাত্রা: ৭.৪% ১৫. ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের গড় মূল্যস্ফীতি ছিল - ৬.০% ১৬. বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি হিসেবে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয় : প্রাকৃতিক গ্যাস ১৭. প্রাচীন বাংলার হরিকেল জনপদ অঞ্চলভুক্ত এলাকা : চট্টগ্রাম ' ১৮. নিম্নের মোঘল সম্রাটদের মাঝে কে প্রথম আত্মজীবনী লিখেছিলেন : বাবর ১৯. ঐতিহাসিক ছয় দফা ঘোষণা করা হয় ১৯৬৬সালের - ফেব্রুয়ারিতে ২০. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান মতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগের মেয়াদকাল :৫ বছর. ২১. দেশের কোন এলাকাতেই ভোটার হননি এমন ব্যক্তি সংসদ নির্বাচনে: কোনোভাবেই প্রার্থী হতে পারবেন না * ২২. কোনটি স্থানীয় সরকার নয় : পল্লী বিদ্যুৎ ২৩. আইন প্রণয়নের ক্ষমতা - জাতীয় সংসদের ২৪. সমাজের শিক্ষিত শ্রেণীর যে অংশ সরকার না কর্পোরেট গরূপে থাকে না কিন্তু সরকারের উপর প্রভাব বিস্তার করার ক্ষমতা রাখে- সুশীল সমাজ ২৫. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার ন্যূনতম বয়স : ৩৫ বছর ২৬. বাংলাদেশের জাতীয় আয় গণনায় দেশের অর্থনীতিকে কয়টি ভাগে ভাগ করা হয় : ২৭. টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে কে প্রথম ডবল সেন্ঞ্চুরী করেন : মুশফিক ২৮. নিচের কোনটি নাগরিকের দায়িত্ব: রাস্তায় ট্রাফিক আইন মেনে চলা ২৯. মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের কয়টি জেলার সীমান্ত আছে: ৩ টি ৩০. পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তচুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয় ;১৯৯৭

৩৮ তম প্রিলিঃ পরীক্ষার হলে অবশ্য পালনীয় কিছু কৌশল ................................................................. Shamim Anwar এএসপি, ৩৪তম বিসিএস (পুলিশ) ১১ তম মেধাস্থান এক্স একাউন্টিং, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ............................................................. >>যা করার, একবারেই করুনঃ অনেকে আছেন, উত্তর করার সময় কনফিউজিং প্রশ্ন পরে মনে পড়বে ভেবে রেখে দেন। এই কাজ কখনোই করবেন না। যা ভাবার, সর্বোচ্চ মেধা, স্মরণশক্তি খাটিয়ে একবারেই ভাবুন। উত্তর দিলে এখুনি দিন, না দিতে চাইলে একেবারে বাদ দিয়ে দিন। 'তার' আর 'পর' রাখবেন না। বিপদ বাড়বে। পরে হল থেকে বের হয়ে দেখবেন, অনেকগুলো জানা প্রশ্ন এই "পরে ভেবে দেখব" নীতি অবলম্বনের কারনে বাদ পড়ে গেছে। >>কতগুলো প্রশ্নের উত্তর করবেনঃ প্রথমত বলব, ইট ডিপেন্ডস। প্রশ্ন কেমন হয়েছে সেটা এ ক্ষেত্রে ফ্যাক্টর। তবে আপনার জন্য সতর্কবার্তা হলো, "প্রশ্ন সহজ, নাকি কঠিন হয়েছে" পরীক্ষার হলে বসে করা আপনার এ সম্পর্কিত অনুমান ৯০% ক্ষেত্রে পরবর্তী সময়ে ভুল প্রমাণিত হবার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই আমি এ ক্ষেত্রে রিস্ক নেওয়ার নীতি অবলম্বনের পক্ষে। যদি দেখেন, পরীক্ষা আপনার সম্পূর্ণ প্রতিকূলে। খুব কম প্রশ্নের উত্তরই আপনি পারছেন, তখন বুঝবেন, আজ আপনার ঝুঁকি নেওয়ার দিন। অর্থাৎ একটু বেশি প্রশ্নের উত্তর করা। স্পষ্ট করে যদি বলি-এক্ষেত্রে আপনি তিন ধরনের প্রশ্নের উত্তর করবেন- ১. নিশ্চিত উত্তর ২. দুইটার মধ্যে একটা শিওর( এক্ষেত্রে অনুমান করে একটা মেরে দিন) ৩. তিনটার মধ্যে একটা শিওর, বাকি একটা যে হবে না, তা কনফার্ম ( এক্ষেত্রেও অনুমান করে একটা মেরে দিন) *** কোন অবস্থাতেই ব্লাইন্ড মারা যাবে না। অন্যদিকে, যদি দেখেন পরীক্ষার প্রশ্ন মোটামুটি আপনার পক্ষে যাচ্ছে, -এক্ষেত্রে আপনি দুই ধরনের প্রশ্নের উত্তর করবেন- ১. নিশ্চিত উত্তর ২. দুইটার মধ্যে একটা শিওর( অনুমান করে যে কোন একটা মারুন) পয়েন্টস টু নোটঃ >>হলে যাওয়ার সসময় কি কি সাথে নিবেনঃ প্রবেশপত্র, তিনভাগের দুইভাগ কালি শেষ করা অবস্থায় কমপক্ষে দুটি বলপয়েন্ট কলম ।( আমি ফাইনগ্রিপ কলম নিয়েছিলাম। নতুন কিনে থাকলে এমন করে নিন, বৃত্ত ভরাট করতে সুবিধা হবে, কালি মোটা হয়ে আসবে, কোনভাবেই জেলপেন ইউজ করা যাবে না, পেন্সিল ( না নিলেও চলে) >>কি কি নিবেন নাঃ ঘড়ি, মোবাইল, ক্যালকুলেটর বা অন্যকোন ইলেকট্রনিক ডিভাইস। >> পরীক্ষা চলবে সকাল ১০.০০ থেকে ১২.০০ পর্যন্ত। তবে হলে ঢুকতে হবে সাড়ে নয়টার দিকে। তাই বাসা থেকে এমন সময় করে বের হবেন, যেন সর্বোচ্চ ৯০০ টার মধ্যে কেন্দ্রে পৌছাতে পারেন। >> রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও সেট কোড এই দুইটা পূরণে কোন রকম ভুল/ ঘষামাজা যেন না হয়, সতর্ক থাকুন। কোন রকম ভুল হয়ে গেলে সাথেসাথে ইনভিজিলেটরদের অবহিত করুন। পরীক্ষার আগমুহূর্তে ভাইব্রাদারদের উদ্দেশে আমাদের অতি কমন - প্রচলিত একটি প্রশ্ন 'প্রস্তুতি কেমন'। এই প্রশ্নের উত্তর সাধারণত দুই ক্যাটাগরির মানুষের কাছ থেকে ভিন্নভিন্নভাবে পাওয়া যায়। এ সম্পর্কে একটি জোকস বলে শেষ করি- >>বাসায় রোবট কিনে আনা হলো। তার কাজ হলো, যে মিথ্যা কথা বলবে তাকে চড় মারা। ছেলে অনেক রাত করে বাসায় ফিরেছে। বাবা : এতো রাতে কোথায় ছিলে ? ছেলে : বন্ধুর বাসায়। রোবট এসে ছেলেকে কষে একটা চড় দিলো। চড় খেয়ে ছেলে সত্য কথা বললো, বাসার সামনের দোকানে সিগারেট খেতে গিয়েছিলাম । বাবা রাগে বললো, এতো বড় সাহস! এই বয়সে সিগারেট খাস! তোর বয়সে তো আমি সিগারেটে হাত দিয়েই দেখিনি! এবার রোবট এসে বাবাকে চড় দিলো। ছেলের সামনে বাবা চড় খাচ্ছে দেখে মা এসে বললো, বাদ দাও তো তোমার'ই তো ছেলে! এইবার রোবট এসে মাকে'ও চড় দিলো । সাথে সাথে বাবা অজ্ঞান। মোরাল অব দ্য স্টোরিঃ কেউ বলবে, আমার পরীক্ষার প্রস্তুতি খুব ভালো, কোন দিক পড়ার বাকি রাখিনি ( ঠাডায়ে চড়) অনেকেই বলবে আমি বইই খুলিনি( ঠাডায়ে চড়) নিরন্তর শুভকামনা।

কাল বাদে মাগরিব হুজুর কেবলা (মঃ) দরবারে সিরিকোট শরীফের উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম ত্যাগ করবেন।

Game on! CGS Alumni games and concert 22nd / 23rd December 2017

@GREC Chittagong 2017-12-22

!!!!!! আগামীকাল শুরু হচ্ছে !!!!!! গ্রেক চট্রগ্রাম শাখায় আগামীকাল ২৩ই ডিসেম্বর, সন্ধ্যা ৭ টায় শুরু হচ্ছে GRE Premium Course-র নতুন ব্যাচ। বিজয়ের মাস উপলক্ষ্যে ১৬% ছাড়। ভর্তি সংক্রান্ত সকল তথ্যের জন্য আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন: ০১৭৬৮-৩৭৭-৬৪৪ নম্বরে। ব্যাচের সময়ঃ (শনি-সোম-বুধ)) সন্ধ্যা ৭ টা। অল্প সংখ্যক আসনের বিপরীতে অ্যাডমিশন চলছে। * ৩৬টি ক্লাশ * ৫০টিরও বেশি অনলাইন ক্লাশ * ৬টি মক টেস্ট * টোফেলের ফ্রি ক্রাশ কোর্স সহ * অনলাইন লার্নিং সুবিধা সমৃদ্ধ

ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য যেন টইটুম্বুর করছে। ছবিঃ রেল লাইন থেকে বাস্কেটবল গ্রাউন্ড এবং মসজিদ।

২০১৭ সালের অনার্স ৩য় বর্ষের ফর্ম পূরণ শুরু ৫ ডিসেম্বর ২০১৭ সালের অনার্স ৩য় বর্ষের(২০১৪-১৫) পরীক্ষার জন্য ফরম পূরন এর ডেট প্রকাশ করা হয়েছে।। শুরু - ০৫/১২/২০১৭ শেষ- ০৮/০১/২০১৮

হযরত মুহাম্মদ (স:) এর প্রদর্শিত পন্থায় চলার মধ্যেই রয়েছে মানবতার মুক্তি। চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল ডেন্টাল কলেজের যৌথ উদ্যোগে স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স ডিভিশনের আয়োজনে ০৩ ডিসেম্বর২০১৭ তারিখে কলেজ গ্যালারীতে অনুষ্ঠিত হল সীরাতুন্নবী (স:) উদযাপন উপলক্ষ্যে রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী ও আলোচনা সভা।এতে সভাপতিত্ব করেন সিআইডিসি এর অধ্যক্ষ ও স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স ডিভিশনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. মুসলিম উদ্দীন, প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সিআইএমসি এর অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আমির হোসেন, মূখ্য আলোচক হিসাবে আলোচনা পেশ করেন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ অধ্যাপক ড. বিএম মফিজুর রহমান আল আজহারী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন স্ট্যাডের ডেপুটি ইনচার্জ ডা. মো. বেলাল উদ্দীন এছাড়া অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন ডা. মো. কামরুল হাসান ও স্ট্যাড ইনচার্জ ডা. আজিজুল হাকিম। প্রধান অতিথি ও মূখ্য আলোচক তাঁদের আলোচনায় সকলকে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (স:) এর নির্দেশিত পন্থায় জীবন পরিচালনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে একাডেমিক পড়া-লেখার পাশা পাশি কুরআন হাদীস চর্চার মাধ্যমে সত্যিকার মুসলমান হিসেবে বাস্তব জীবনে পরিবার, সমাজ ও দেশের জন্য রুল মডেল চিকিৎসক হিসেবে তৈরী হওয়ার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠান পরবর্তী রচনা প্রতিযোগিতার ১ম স্থান অধিকারী এমবিবিএস ৪র্থ ব্যাচের আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল করীমকে ২০০০/-(দুই হাজার ) টাকার প্রাইজবন্ড, ২য় স্থান অধিকারী এমবিবিএস ১ম ব্যাচের মুসাম্মত ফারহানা তাসনীমকে ১৫০০/-(এক হাজার পাঁচশত ) টাকার প্রাইজবন্ড, ৩য় স্থান অধিকারী এমবিবিএস ৪র্থ ব্যাচের আব্দুল্লাহ আল মামুনকে ১০০০/-(এক হাজার ) টাকার প্রাইজবন্ড ও বিডিএস ৭ম ব্যাচের ডা.আব্দুল্লাহ আল হারুন, বিডিএস ১০ম ব্যাচের আব্দুস সালাম ও এমবিবিএস ২য় ব্যাচের আব্দুল মান্নানকে অতিথিদের মাধ্যমে পুরস্কার দেয়া হয়।

অনার্স ১ম বর্ষের ২০১৭-১৮ বইয়ের তালিকা জেনে নিন . Accounting, Management , Finance, Marketing, Math, Chemistry, Zoology, Physics, অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস, সমাজবিজ্ঞান, বাংলা, English, সহ মোট 15টি Department.. . . ★ Acccounting Department: স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যূদয়ের ইতিহাস Principles of Marketing Principles of Management Micro Economics Principles of Acccounting Principles of Finance . ★ Management Department: স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যূদয়ের ইতিহাস Micro Economics Principles of Acccounting Introduction to Business Principles of Management Principles of Marketing . ★ Finance Banking Department : স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যূদয়ের ইতিহাস Principles of Management Principles of Markering Principles of Acccounting Micro Economics Principles of Finance . ★ Marketing Depertment: স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যূদয়ের ইতিহাস Financial Acccounting Introduction to Computer Principles of Marketing - I Principles of Management Introduction to Business . ★ গনিত বিভাগঃ স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যূদয়ের ইতিহাস ফান্ডামেন্টাল ক্যালকুলাস-১ লিনিয়ার এলজেব্রা জ্যামিতি ফিজিক্স-১ ফিজিক্স-২ কেমিস্ট্রি-১ . ★ রসায়ন বিভাগঃ অভ্যূদয়ের ইতিহাস ভৌত রসায়ন-১ জৈব রসায়ন অজৈব রসায়ন ফান্ডামেন্টাল অব ম্যাথ ফিজিক্স-১ ফিজিক্স-২ ক্যালকুলাস . ★ প্রাণিবিদ্যা বিভাগ স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যূদয়ের ইতিহাস প্রাণিবিদ্যা ১ম পাঠ প্রোটোজোয়া উদ্ভিদবিদ্যা রসায়ন . ★ পদার্থ বিজ্ঞানঃ স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস বলবিদ্যা বস্তুর ধর্ম ও তরঙ্গধর্ম তাপ ও তাপ গতিবিদ্যা মৌলিক গণিত ক্যালকুলাস-১ রসায়ন-১ . ★ অর্থনীতি বিভাগঃ স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যূদয়ের ইতিহাস ব্যাষ্টিক সামষ্টিক গণিত পরিসংখ্যান সমাজ পরিচিতি . ★ রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগঃ স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যূদয়ের ইতিহাস রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন পাশ্চাত্যের রাষ্টচিন্তা প্রধান প্রধান বৈদেশিক সরকার লোকওপ্রশাসন পরিচিতি সমাজকর্ম . ★ ইতিহাস বিভাগঃ স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যূদয়ের ইতিহাস ইতিহাস পরিচিতি বাংলার ইতিহাস দক্ষিন এশিয়ার ইতিহাস ইসলামের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাস সমাজকর্ম পরিচিতি . ★ ইসলামের ইতিহাস সংস্কৃতিঃ স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যূদয়ের ইতিহাস মুসলমানদের ইতিহাস(৫৭০-৭৫০) মুসলমানদের ইতিহাস(৭৫০-১২৫৮) স্পেনের মুসলমানদের ইতিহাস(৭১০-১৪৯২) সিরিয়া মিশর আফ্রিকা মুসলিম শাসনের ইতিহাস রাজনৈতিক ত্বত্ত সমাজকর্ম সমাজবিজ্ঞান . Sociology Department: স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যূদয়ের ইতিহাস Introductory Sociology 212003 212005 212007 সমাজ বিজ্ঞান পরিচিতি . ★ বাংলা বিভাগঃ স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যূদয়ের ইতিহাস বাঙ্গালির ইতিহাস ও সংস্কৃতি বাংলার ইতিহাস ও ব্যবহারিক বাংলা কবিতা-১ বাংলা উপনাস-১ সমাজ বিজ্ঞান পরিতিচতি . ★ English Department: স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যূদয়ের ইতিহাস Reading Skill Writing Skill Poetry Prose Political Theory . ================= সংগৃহীত পোস্ট.. শেয়ার করে রাখ, কাজে লাগবে.. আরো বইয়ের তালিকা পেতে সাবজেক্ট নাম লিখে কমেন্ট করুন।

মৃত্যুকালে রাসূল (সা:) যে কথাটি বারবার বলেছিলেন… হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনের শেষ মূহুর্ত চলছে। ‘ঠিক সে সময় একজন লোক এসে ‘সালাম’ জানিয়ে বললেন, আমি কি ভিতরে আসতে পারি। রাসূল (সাঃ) এর কন্যা ফাতিমা (রাঃ) বললেন, দুঃখিত আমার পিতা খুবই অসুস্থ। একথা বলে ফাতিমা (রাঃ) দরজা বন্ধ করে রাসূল (সাঃ) কাছে গেলেন। হযরত রাসূল (সা) বললেন, কে সেই লোক? ফাতিমা বললেন, এই প্রথম আমি তাকে দেখেছি। আমি তাকে চিনি না। রাসুল (সাঃ) বললেন শুনো ফাতিমা, সে হচ্ছে আমাদের এই ছোট্ট জীবনের অবসানকারী ফেরেশতা আজরাইল। এটা শুনে হযরত ফাতিমার অবস্থা তখন ক্রন্দনরত বোবার মতো হয়ে গিয়েছে। রাসূল (সাঃ) বললেন, হে জিবরাঈল আমার উম্মতের কি হবে? আমার উম্মতের নাজাতের কি হবে ? জিবরাঈল (আঃ) বললেন, হে রাসুল আপনি চিন্তা করবেন না, আল্লাহ ওয়াদা করেছেন আপনার উম্মতের নাজাতের জন্যে। মৃত্যুর ফেরেশতা ধীরে ধীরে রাসূলের কাছে এলেন জান কবজ করার জন্যে। মালাকুল মউত আজরাইল আরো কাছে এসে ধীরে ধীরে রাসূলের জান কবজ করতে থাকলেন। পাশে দাঁড়িয়ে থাকা জিব্রাইলকে রাসূল বললেন ঘোঙানির সাথে, ওহ জিবরাঈল এটা কেমন বেদনাদায়ক জান কবজ করা। ফাতিমা (রাঃ) তার চোখ বন্ধ করে ফেললেন, আলী (রাঃ) তার দিকে উপুড় হয়ে বসলেন, জিবরাঈল তার মুখটা উল্টা দিকে ফিরিয়ে নিলেন রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন, হে জিবরাঈল তুমি মুখটা উল্টা দিকে ঘুরালে কেন, আমার প্রতি তুমি বিরক্ত? জিবরাঈল বললেন, হে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) সাকারাতুল মউতের অবস্থায় আমি আপনাকে কিভাবে দেখে সহ্য করতে পারি! ভয়াবহ ব্যাথায় রাসূল ছোট্ট একটা গোঙানি দিলেন। রাসূলুল্লাহ বললেন, হে আল্লাহ সাকারাতুল মউতটা (জান কবজের সময়) যতই ভয়াবহ হোক, সমস্যা নেই, আমাকে সকল ব্যথা দাও আমি বরণ করবো, কিন্তু আমার উম্মাতকে ব্যথা দিওনা। রাসূলের শরীরটা ধীরে ধীরে ঠান্ডা হয়ে আসতে লাগলো। তার পা, বুক কিছুই নড়ছে না এখন আর। রাসূলের চোখের পানির সাথে তার ঠোঁটটা কম্পিত ছিলো, তিনি কিছু বলবেন মনে হয়। হযরত আলী (রাঃ) তার কানটা রাসূলের মুখের কাছে নিয়ে গেলো। রাসূল বললেন, নামাজ কায়েম করো এবং তোমাদের মাঝে থাকা দূর্বলদের যত্ন নিও। রাসূলের ঘরের বাইরে চলছে কান্নার আওয়াজ, সাহাবীরা একজন আরেকজনকে জড়িয়ে ধরে উচ্চস্বরে কান্নারত। হযরত আলী (রাঃ) আবার তার কানটা রাসূলের মুখের কাছে ধরলো, রাসূল চোখ ভেজা অবস্থায় বলতে থাকলেন, ইয়া উম্মাতি, ইয়া উম্মাতি, “হে আমার উম্মতেরা নামায, নামায, নামায।। Subscribe our YouTube channel for more story of Islam

আলিম'১৮ ব্যাচ। শুভ কামনা তোমাদের জন্য। কার্টেসি: Adib FA Him Mijan

Send ur name, contact number and email address to [email protected] to attend the seesion.

A HSC registration card found please contact (01626160121)

স্মৃতির এলবাম থেকে.... :-) ছবি: লুৎফুল কবির স্যারের ফেসবুক ওয়াল থেকে নেয়া Admin: Raihan Al Azad

অনার্স ১ম বর্ষ ভর্তি কার্যক্রমের অনলাইনে রিলিজ স্লিপের আবেদন শুরু হবে ০৫/১১/১৭ তারিখ বিকাল ৪টা থেকে। রিলিজ স্লিপে আবেদন করা যাবে ১১/১১/১৭ তারিখ রাত ১২ টা পর্যন্ত। . যারা রিলিজ স্লিপে আবেদন করতে পারবেঃ ১। মেধাতালিকায় স্থান পায়নি। ২। মেধাতালিকায় স্থান পেয়েও ভর্তি হয়নি। ৩। যারা ভর্তি বাতিল করেছে। →রিলিজ স্লিপে নতুন করে ৫ টি কলেজ এবং বিষয় চয়েজ করা যাবে। →রিলিজ স্লিপের ফ্রম কলেজে জমা দিতে হবে না এবং এর জন্য কোন ফি দিতে হবে না।

"সময়ের মূল্য" * প্রতিদিন ১০ ঘন্টা পড়ালেখা করাকে ফরয বানিয়ে নিন। * জীবন অতি মূল্যবান, সময় অতি স্বল্প। এ স্বল্প সময়েই বিরাট কর্ম ও কীর্তি রেখে যেতে হবে। * প্রতিটি নিঃশ্বাস বহু মূল্যবান। প্রতিটি সেকেন্ড বহু মূল্যবান। * মোবাইলের ব্যবহার সীমিত করে দিন। আপনি যদি সবসময় মোবাইল খোলা রাখেন মানুষ আপনাকে সবসময় ব্যবহার করবে। আপনাকে তো টিকে থাকতে হবে। অনেক কিছু অধ্যয়ন করতে হবে। আপনার সময় কোথায়! * আমি কোন জায়গায় গেলে ল্যাপটপ ও বই সাথে রাখার চেষ্টা করি। ১ পৃষ্ঠা পড়তে পারলে মন্দ কী! আমরা গাড়িতে চড়ে বিভিন্ন জায়গায় যাই। সেই সময়টাকেও আমরা বই পড়ে কাজে লাগাতে পারি। তারপর নাপিতের দোকানে চুল কাটতে যাই। সেখানে প্রায় সময় দীর্ঘ লাইন থাকে। সেই সময়টাতে আমরা হাতে ছোট্ট একটি পুস্তিকা নিয়ে পড়তে পারি। যত পড়বেন তত আপনার জ্ঞানের ভান্ডার সমৃদ্ধ হবে। লেখার বিষয় তৈরি হবে। সবসময় মনে রাখতে হবে জীবন অতি মূল্যবান, সময় অতি স্বল্প। * বাংলা-আরবি-ইংরেজি এ তিন ভাষায় সর্বোচ্চ দক্ষতা অর্জন করতে হবে। * নিস্তেজ চিত্ত ও দুর্বল চরিত্রের অধিকারীদের দিয়ে মহৎ কাজ হয় না। পৃথিবীর কোন যোগ্য মানুষ বেকার নেই। পৃথিবীতে শ্রেষ্ঠ ও যোগ্য ব্যক্তিদেরই মূল্যায়ন হয়। সুতরাং নিজেকে মূল্যবান ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলুন। (কথাগুলো অামি জাগৃতি লেখক ফোরাম চট্টগ্রাম কর্তৃক আয়োজিত 'মিডিয়ার সাহায্যে ইসলামের প্রচার: আগামীর পথপরিক্রমা' শীর্ষক প্রতিযোগিতা ও কর্মশালায় বলেছিলাম। তারিখ- ১৬ নভেম্বর ২০১২। Ohidul Islam Chy কর্তৃক সংগ্রহকৃত ।

এমন উদ্দ্যোগের জন্য ধন্যবাদ ট্রান্সপোর্ট ডিভিশনকে।

www.sapeevents.com www.collegeofindia.org www.edufaironline.com

এইমাত্র অনার্স ৩য় বর্ষের রেজাল্ট প্রকাশ । ফলাফল পাবেন এখানে ঃ http://www.nu.edu.bd/results/ SMS Method: To Check your result through SMS go to your mobile (any operator) message option and type: NUHP3Your Registration Number then send the SMS to 16222. Example: NU HP3 2545624 and send to 16222

স্কুল-কলেজে যাঁদের ইংরেজির ভিতটা শক্তভাবে গড়ে ওঠে না, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে তাঁরা অনেকেই সমস্যায় পড়েন। কেননা স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পর্যায়ের বেশির ভাগ বই ইংরেজিতে লেখা। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকেরা ইংরেজিতেই পড়ান। কেমন করে ইংরেজির ভয়কে জয় করবেন? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক শিশির ভট্টাচার্য্যের দেওয়া কিছু পরামর্শ এখানে তুলে ধরা হলো। ১. শিক্ষক যখন ইউটিউব এখন ইউটিউবে প্রচুর ইংরেজি শেখার ‘টিউটোরিয়াল’ পাওয়া যায়। তাই চাইলে শিক্ষার্থীরা ইউটিউব দেখে ইংরেজি শিখতে পারেন। শুধু স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নয়, শিশু থেকে শুরু করে যেকোনো পর্যায়ের শিক্ষার্থী বা যে কেউ ইংরেজি শেখার জন্য ইউটিউবের বিভিন্ন চ্যানেল ব্যবহার করতে পারেন। ২. প্রতিদিন ইংরেজি পড়ুন যেকোনো ভাষা শিখতে হলো সেই ভাষার পেছনে সময় দিতে হবে। এ জন্য ইংরেজি শিখতে হলে প্রতিদিন কমপক্ষে আধঘণ্টা ইংরেজি পড়া জরুরি। সেটা উপন্যাস হতে পারে, গল্প হতে পারে। আসলে যার যেটা পড়তে ভালো লাগে সে সেটাই পড়বে। বিষয়টি এমন নয় যে শুধু পাঠ্যবই পড়তে হবে। ৩. আগে বাংলাটা শুদ্ধভাবে শিখুন যেকোনো ভাষা শিখতে হলে আগে নিজের মাতৃভাষাটা ভালোভাবে জানা থাকা উচিত। মনের ভাব তো আমরা মাতৃভাষাতেই প্রকাশ করি। নিজের ভাষার গঠন সম্পর্কে না জানলে আসলে কোনো বিদেশি ভাষার গঠন সম্পর্কে সঠিকভাবে জানা সম্ভব নয়। ৪. শোনা থেকে শেখা ইংরেজি শিখতে হলে প্রতিদিন ইংরেজি শুনতে হবে। একটা ভালো উপায় হলো খবর শোনা। সে ক্ষেত্রে বিবিসির খবরকে প্রাধান্য দেওয়া যেতে পারে। ইংরেজি শিখতে হলে আগে শব্দগুলোর সঙ্গে পরিচিত হতে হবে। যেমন, একটি শিশু প্রথম দিনই কিন্তু কথা বলতে পারে না। শিশুরা আগে শোনে। সেই শোনা থেকে শেখে। অর্থাৎ কোনো ভাষা শিখতে হলে আগে শুনতে হবে মনোযোগ দিয়ে। ৫. দল বেঁধে চর্চা করুন ভাষা শেখার আরেকটি ভালো পদ্ধতি হলো বন্ধুরা মিলে একসঙ্গে চর্চা করা, যাকে বলা হয় ‘গ্রুপ স্টাডি’। অন্যান্য বিষয় পড়ার ক্ষেত্রে গ্রুপ স্টাডি যেমন কার্যকর, তেমনি ভাষা শেখার ক্ষেত্রেও গ্রুপ স্টাডি কাজে আসে। কারণ এর মধ্য দিয়ে যেমন নিজের ভুলটা সহজে ধরা পরে। আবার নিজে না পারলে বন্ধুর সহযোগিতা নেওয়ার সুযোগটা থাকে। ৬. সাহস করুন আপনি নতুন একটি ভাষা শিখছেন, নতুন নতুন পদ্ধতি আপনার সামনে আসবে, যেগুলোর সঙ্গে আপনি ঠিক পরিচিত নন। সাহস করে চর্চাটা চালিয়ে গেলেই ধীরে ধীরে আপনি দক্ষ হয়ে উঠবেন। ভুল হোক, তবু চর্চাটা চালু থাক। যদি ভয় পান, তাহলে আপনি পিছিয়ে যাবেন। তাই মনে সাহস সঞ্চার করুন, চর্চা করুন প্রতিদিন। ৭. ইংরেজি সিনেমা দেখুন অনেকেরই সিনেমা দেখার অভ্যাস রয়েছে। ইংরেজি শিখতে চাইলে ইংরেজি সিনেমা দেখা যেতে পারে সাবটাইটেলসহ। এতে করে শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ হবে। ৮. স্মার্টফোনে অভিধান রাখুন বর্তমানে অধিকাংশ তরুণের হাতে স্মার্টফোন আছে। চাইলেই একটি অভিধানের অ্যাপ আপনার স্মার্টফোনে ইনস্টল করে নিতে পারেন। এর মাধ্যমে প্রতিদিন নতুন নতুন শব্দ শেখা হবে। পড়তে বসে হয়তো কোনো একটি শব্দের অর্থ বুঝতে পারছেন না, চট করে অভিধানে শব্দটি দেখে নিন। প্রযুক্তির এই সুবিধা তো আমরা কাজে লাগাতেই পারি। ৯. নিয়মিত চর্চা করুন ভাষা চর্চার ক্ষেত্রে কোনো বিরতি দেওয়া যাবে না। বিরতি দিলেই ভুলে যাবেন। তাই নিয়মিত চর্চার কোনো বিকল্প নেই। যেমন বলছিলাম, ভাষা শিখতে হলে শুনতে হবে। এক মাস নিয়মিত শুনলে নিজেই পার্থক্যটা বুঝতে পারবেন। তেমনি এক মাস চর্চা না করলেও বুঝতে পারবেন, আপনি অনেকখানি ভুলে গেছেন! ১০. বুঝে পড়ার অভ্যাস করুন ইংরেজি শিখতে হলে শুধু পড়লেই হবে না, বুঝে পড়তে হবে। আবার অনেকই আছেন, যাঁরা মুখস্থ করার চেষ্টা করেন। এটা থেকে বিরত থাকতে হবে। প্রতিটি বিষয় বুঝে পড়তে হবে। প্রয়োজনে অন্যের সাহায্য নিন।

আগামিকাল full chapter clear করে আসবে।

Next September... Some thing exotic waiting... keep your eyes on the page notifications...

http://m.banglanews24.com/national/news/bd/595931.details

Dear ACCA students, We are back to inform you all the latest updates regarding CBE Exam sessions which is going to be introduced in this September(2017) session. CBE Exam sessions for paper F5-F9 will only be available for four Exam sessions ( March,June,September and December). This exam sessions are to available for whole year as the other CBE exams do (FA1-F4). The results of this papers will be published/issued after 6 weeks of Exam ending. Thanks, ACE College team

HSC পরীক্ষায় পাশ করা প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীকে জানাই অভিনন্ধন। অনেকে A+ পেয়েছে। আবার আনেকে A+ পায়নি। যারা A+ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন তাদের মন খারাপ। খারাপ লাগাটা স্বাভাবিক। কিন্তু এই স্বাভাবিক বিষয়টা যাতে সর্বোচ্চ ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত থাকে এর বেশি থাকলে সমস্যা। এই কথা কি কারনে বলেছি তা একটু পরে ক্লিয়ার হবে। ভাই যেই ছেলেটি A+ পেয়েছি সে কিন্তু DU কিংবা CU তে টিকে গেছে এমন কিন্তু না। আমার কত A+ পাওয়া ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে টিকে নাই শুধু অতিরিক্ত লাফালাফির কারনে। আবার অনেক ৩ পয়েন্ট পাওয়া ছাত্র এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তেছে। কাজেই কোন রেজাল্ট ভালো না আবার কোন রেজাল্ট খারাপ ও না। তুমি ভালো রেজাল্ট বলতে কোনটাকে বুজবে যারা #কমার্সের_ছাত্র তাদের SSC এবং HSC মিলে যদি ৭ পয়েন্ট থাকে তাহলে তোমার রেজাল্ট ভালো তুমি নিশ্চন্তে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য প্রস্তুতি নাও। চবিতে তোমার সাথে A+ পাওয়া মানুষের ব্যবধান তেমন না বলতে গেল মাত্র ৫ কি ৬ নম্বরের মতো হবে। এই দুই মাস ভালো করে পড়ে একটা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে টিকে গেলে তোমার এই রকম চারটা A+ থেকেও বেশি পাওয়া হয়ে যাবে। যারা #মানবিক_বিভাগ তারা HSC এবং SSC মিলিয়ে ৫.৫ থেকে ৬ পয়েন্ট পেয়ে থাকলে Enough আপনি অনেক গুলো বিশ্ববিদ্যালয়ে এক্সাম দিতে পারবেন।Trust me আপনার সাথে A+ পাওয়া অনেকে কোথাও চান্স না পেয়ে তাদের রেজাল্ট বলতে লজ্জা পাবে মাত্র দুই মাস পর। কাজেই হতাস না হয়ে দুই মাস প্রতি দিন ৬ ঘন্টা করে পড়েন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ইনশাল্লাহ আপনি একটা সিট পাবেন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে। আপনি শুনলে অবাক হবেন চবিতে চান্স পাওয়া বেশির ভাগ ছাত্র কিন্তু A+ মিস করা। কাজেই সমনে অনেক ভালো দিন অপেক্ষা করতেছে আপনার জন্য, আমি মনে করি A+ যারা পান নি তাদের জন্য ভালো হয়েছে। কারন এটা একটা ধাক্কা, এই ধাক্কায় যাদের জেধ উঠে যাবে তারা লাইফে অনেক দূর এগিয়ে যাবে। #এবার_আসি_বিজ্ঞান_বিভাগ_নিয়ে যারা মেডিকেল এর জন্য প্রিপারেশন নিচ্ছিলেন তাদের যদি ডাবল Golden না থাকে বস্তবতা হচ্ছে আপনাকে মেডিকেল এর প্রিপারেশন ছেড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা চিন্তা করা উচিত Du এর A Unit কিংবা Cu এর A unit এ প্রচুর আসন রয়েছে একটু টেকনিক্যালি দুই মাস পড়লে টিকতে আপনি বাধ্য। কাজেই আবেগে ইমোশনাল না হয়ে বস্তবতায় আসেন দ্রুত একটা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং এ যান Du/RU কিংবা CU অথবা Sust এ একটা সিট কনফার্ম করেন। যেহেতু আপনার CGPA কম আগে কোথাও চান্স পান তার পর বেশি ইচ্ছা হলে পরের বছর মেডিকেল এর জন্য ৩৬৫ রাত নির্ঘুম থাকিয়েন। আর যারা ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রিপারেশন নিচ্ছিলেন কন্তু রেজাল্ট একটু খারাপ আসছে চিন্তার কিছু নাই আপনি DU A ইউনিটের জন্য প্রিপারেশন নেন, আপনার কাছে সব কিছু পান্তা ভাত মনে হবে মাত্র দুই মাস পড়লে আপনি ঢাবির এক জন গর্বিত ছাত্র হবেন এটা ৩০০%। তবে পড়াটা পড়ার মতো হতে হবে, তার মানে এই না ১৬ ঘন্টা পড়তে হবে। পড়তে হবে সর্বোচ্ছ ৮ ঘন্টা। রেজাল্ট দুইটা মিলিয়ে ৮ থাকলেই হচ্ছে। Cu আর কুমিল্লার জন্য আরো কম ৭ থাকলেই হবে। পরিশেষে একটা কথা রেজাল্ট একটু কম আসছে মানে এই না জীবন শেষ হয়ে গেছে। ৭ বছর যাবত দেখতেছি আমার সেই সব ছাত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশি টিকে যারা A+ পায়নি। ধন্যবাদ মেহেদী হাসান শুভ মার্কেটিং বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। পরিচালক, সেভিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং।

http://www.asthait.com/career/passed-cs-major-but-not-getting-job/

চট্টগ্রামের প্রায় ৪৮ টি নামের খোঁজ পাওয়া যায়। এর মধ্যে রম্যভূমি, চাটিগাঁ, চাতগাও, রোসাং, চিতাগঞ্জ, জাটিগ্রাম ইত্যাদি। চট্টগ্রাম নামের উৎপত্তি নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মতপার্থক্য আছে, পন্ডিত বার্নোলির মতে, আরবি 'শ্যাত (খন্ড) অর্থ বদ্বীপ, গাঙ্গ অর্থ গঙ্গা নদী থেকে চট্টগ্রাম নামের উৎপত্তি। অপর এক মতে ত্রয়োদশ শতকে এ অঞ্চলে ইসলাম প্রচার করতে এসেছিলেন বার জন আউলিয়া। তাঁরা একটি বড় বাতি বা চেরাগ জ্বালিয়ে উঁচু জায়গায় স্থাপন করেছিলেন। চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় 'চাটি' অর্থ বাতি বা চেরাগ ্এবং গাঁও অর্থ গ্রাম। এ থেকে নাম হয় ''চাটিগাঁও"। এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা স্যার উইলিয়াম জোন্সের মতে, এ এলাকার একটি ক্ষুদ্র পাখির নাম থেকে চট্টগ্রাম নামের উৎপত্তি। ১৬৬৬ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রাম মোঘল সম্রাজের অংশ হয়। আরাকানদের পরাজিত করে মোঘল এর নাম রাখেন ইসলামাবাদ। ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে মীর কাশিম আলী খান ইসলামাবাদকে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে হস্তান্তর করেন। পরে কোম্পানি এর নাম রাখেন চিটাগাং। বিখ্যাত খাবার মেজবান শুটকি বিখ্যাত স্থান ফয়স লেক চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা চট্টগ্রাম শিশুপার্ক জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর আগ্রাবাদ বাটালি হিল ডিসি অফিস (পরীর পাহাড়) কোর্ট বিল্ডিং য়ার সিমেট্রি (কমনওয়েলথ যুদ্ধসমাধি), কদম মোবারক মসজিদ শাহ্ আমানতের (রহ.) দরগা বদর আউলিয়ার (রহ.) দরগা বায়েজিদ বোস্তামির (রহ.) মাজার শেখ ফরিদের চশমা ওলি খাঁর মসজিদ আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ হামজার মসজিদ হামজারবাগ পাথরঘাটা রোমান ক্যাথলিক গির্জা চট্টগ্রাম বৌদ্ধবিহার নন্দনকানন কৈবল্যধাম চন্দ্রনাথ পাহাড় ও মন্দির সীতাকুন্ড বাঁশখালী ইকোপার্ক সীতাকুন্ড ইকোপার্ক

আগামী ১লা মে শেষ হবে চট্টগাম আন্তর্জাতিক বানিজ্য মেলা ২০১৭। শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন।

আমার জন্য সঠিক রাস্তা কোনটা? – বিদেশ, জিআরই, স্বদেশ, বিসিএস, চাকরি? অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে – আমি জিআরই দেবো নাকি বিসিএস দেবো (নাকি দুটোই দেবো!) বুঝতে পারছি না। নিজেকে খুশি করবো? নাকি পরিবারকে? আমার মন চায় এটা, কিন্তু বাজার বলে ওটা ... ... এই নিয়েই এই পোস্ট। আমরা খুব সহজে সবাইকে বলে ফেলি – এটা আমার স্বপ্ন। এটা আমার ড্রিম। কিন্তু কেন এটা আমার স্বপ্ন – সেটা জিজ্ঞেস করলে অনেকেই থমকে যাবে। মাথা চুলকোবে। “এই লাইনে টাকা আছে” এ জাতীয় কথা খুব লেইম অথবা সস্তা শোনায়, তাই আমরা এটা স্বীকার করতে লজ্জা পাই। দুঃখজনকভাবে আমাদেরকে বড় করা হয় এভাবে – আমরা নিজেদের জন্য কোন দিকটা ঠিক, এটা নিজেরা কখনো ঠিক করার সুযোগ পাই না। শতকরা আশি ভাগ ছাত্রছাত্রী পিতামাতার চাপে, বড় ভাইবোনের চাপে, বন্ধুদের চাপে কিংবা গত কয়েক বছরের ট্রেন্ডের চাপে সিদ্ধান্ত নেয়। পুরো মনোযোগ দিতে পারে না, নিজেকে খুঁজেও পায় না বলে হতাশায় ভোগে। অনেকের পিতামাতা জানেনই না যে ডাক্তারি এবং ইঞ্জিনিয়ারিং ছাড়া পৃথিবীতে আর কোন পেশা আছে। তাছাড়াও আমরা হুজুগে জাতি। গত কয়েক বছরে প্রচণ্ড পাবলিসিটি করে বিসিএস নামক বস্তুটিকে আকাশে তুলে দেয়া হয়েছে বলে এখন ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার সবাই এটার পেছনে ছোটে – অনেক সময় দুঃখজনকভাবে নিজের আণ্ডারগ্র্যাডের পড়াশোনার লাইন কী ছিল এবং কেন ছিল সেটা ভুলে গিয়েই ছোটে, কারণ বাজার বড় কঠিন। বিসিএস ক্যাডার হলে পাওয়ার প্র্যাকটিস করা যায়, এখানে ভবিষ্যৎ আছে ইত্যাদি নানান ঝাপসা কথা বলা হয়। বাস্তবতা হল এই – সরকারী চাকরি করতে গিয়ে শুরুতে তরুণ বয়সী প্রায় সবাই সৎ থাকে, কিন্তু বছর পাঁচেক পরে অনেকেরই বিবেক বেশ দুর্বল হয়ে যায় সিস্টেমের খপ্পরে পড়ে। আর যারা তরুণ বয়স থেকেই অসৎ, তাদের কথা বলাই বাহুল্য (এ সংখ্যাটি নেহায়েত কম নয়, অনেক পরিবারেই সততা বিষয়টি শেখানো হয় না)। খাবার টেবিলে বাবা-মায়ের, বা সোশ্যাল অকেশনগুলোতে আত্মীয়স্বজনদের বাঁকা কথার ক্রমাগত চাপে পড়েও অনেকে ভাবে, সরকারী চাকরি ছাড়া আসলে গতি নেই, নিশ্চিন্ত পথ অবলম্বন করাই সমীচীন। আরও আছে। “উদ্যোক্তা” শব্দটি খুব Cool শোনায় – কিন্তু এর রিস্ক, প্রয়োজনীয় জ্ঞান আর অভিজ্ঞতা এসব চিন্তা করলে অনেক আপাত-আগ্রহী যুবকই পিছিয়ে আসবে। জিআরই-টোফেল দিয়ে যারা বিদেশে যায়, তারাও যে স্বপ্ন তাড়া করতে যায় কথাটি সবক্ষেত্রে সত্যি নয় (“স্বপ্ন” শব্দটি আজকাল বাজারে খুব চলে!)। রিসার্চ করতে গিয়ে অনেকে বিরক্তির একশেষ হয় – কারণ সে রিসার্চ করতে বাইরে আসে নি, এসেছিল টাকা কামাতে; শোনা কথা এই ছিল যে বড় ভাইয়া-আপুরা যারা টিএ-আরএ, তারা অনেক টাকা উপার্জন করে, ডলারে পে-চেক পায় কাজেই আশি দিয়ে গুণ করলে অঙ্কটা অনেক বড় দেখায়! আমি কী নিয়ে রিসার্চ করবো – এটা খুব কম মানুষ আগ্রহ নিয়ে বলে, বেশীরভাগ খুব আগ্রহ নিয়ে বলে সে মাসে কত করে পাবে! তাহলে উপায় কী? এক্ষেত্রে সম্ভবত একজন ফ্রেশার ছাত্রছাত্রীর “অন্যের দেখাদেখি” স্বভাব বাদ দিয়ে নিজের সঠিক অবস্থা এবং দুর্বলতা যাচাই করা ভালো কৌশল হবে। মজার ব্যাপার হল, আমরা অন্যদের বিষয়ে আলোচনা নিয়ে এত ব্যস্ত থাকি যে নিজের অবস্থা এবং দুর্বলতা যাচাই করতে বসার সুযোগ তেমন পাই না! নিজের দুর্বলতা নিয়ে চিন্তা থেকে আমরা বেশী চিন্তিত থাকি সহপাঠীর সবলতা নিয়ে। আমরা যখুনি দেখি কেউ বিসিএস দিচ্ছে, আমরাও বিসিএস পড়া শুরু করি। যদি দেখি কেউ জিআরই দিয়ে বিদেশ যাচ্ছে, তখুনি ভাবি – আমারও জিআরই দেয়া দরকার। অর্থাৎ, এটা করা দরকার, ওটা করা দরকার। “কেন করা দরকার” – এটার উত্তর যদি নিজের কাছে থাকে, তাহলেই সে নিজের রাস্তাটা খুঁজে পাবে (এই পোস্টটার সারবস্তু এই লাইনটিই!)। দুম করে কোথাও ঢুকে পড়া ফ্রেশার ছাত্রছাত্রীদের বদভ্যাস, এটা করার আগে একটু সময় নিয়ে চিন্তাভাবনা করা দরকার। আজ আমি কোথায় আছি তার চেয়েও বড় কথা হল দশ বছর পরে নিজেকে কোথায় দেখতে চাই। মন কী চায় তার চেয়ে বড় কথা, লজিকলি চিন্তা করলে মন কী চায়? সবকিছুই আমার জন্য – এটা ভাবা যেমন ভুল, কিছুই আমার জন্য নয় – এটা ভাবাও ভুল। টেনশন হ্যান্ডল করার অ্যাবিলিটি একজন মানুষের বড় ক্ষমতা। অস্বস্তি নিয়েও যে নিজের প্ল্যান ঠিকঠাক ফলো করতে পারে, সে সাধারণত ঠিক জায়গায় পৌঁছয়। আমরা সবকিছু তৈরি অবস্থায় চাই, এবং কিছুদিন মাঝামাঝি ঝুলে থাকতে হলে অস্থির হয়ে পড়ি। পরিপাকতন্ত্রে গোলমাল দেখা দেয়, পেট নেমে যায়, ভাবতে থাকি – অমুক তো চাকরি পেয়ে গেলো। তমুক তো ভিসা পেয়ে গেলো। আমি এখন বাসা থেকে বের হই কী করে, সবাই তো জিজ্ঞেস করে আমি কী করি! কাজেই খুব দ্রুত কিছু একটা (অপটিমাম না, যা তা হোক কিছু একটা) করা বা পাওয়া দরকার। এমন অনেক কেইস আছে যে, ছেলেটি বাইরে যাবার জন্য মন দিয়ে পড়ছিল। হঠাৎ মোটামুটি বেতনের একটা চাকরি পেয়ে যাবার কারণে কাঁচা টাকার লোভে থেকে গেলো। ভাবল, আপাতত এক বছর জব করি, পরের বছর আঁটঘাঁট বেঁধে বাইরে যাবার ট্রাই করবো। কিন্তু পরের বছর সেই ট্রাই করার তেল-চর্বি-মাখন কিছুই অবশিষ্ট থাকে না – আধাখাপচা প্রয়াস সাধারণত ব্যর্থ হয়, হওয়াই স্বাভাবিক। চোখের দেখায় প্রেম, হুট করে বিয়ে বা একটা ঝগড়া থেকেই ডিভোর্স – এসব ব্যাপার যেমন লাভের চেয়ে ক্ষতিই করে, তেমনি ঝোঁকের মাথায় বড় কোন ক্যারিয়ার ডিসিশনও ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। জীবন কাউকেই অপটিমাম কন্ডিশন তৈরি করে দেয় না। জীবনের কিছু অংশ সবাইকেই ভীষণ দুশ্চিন্তায় ও দোটানায় কাটাতে হয় – এটাই আমাদেরকে ম্যাচিউর করে। যে খুব সফল এবং সুবিধাজনক পজিশনে আছে ভাবছেন, খুঁজে দেখলে পাবেন তার দুশ্চিন্তা আরও বেশী। কন্ডিশন শুধু ভিন্ন। বাইশ বছর বয়সের একটা ছেলে অনেক জায়গাতেই পাকেচক্রে পড়ে শিখে যায় একটা আস্ত সংসার কী করে টানতে হয়। আবার অনেক পরিবারেই একটা বাইশ বছরের ছেলে শুধুমাত্র শেখে কী করে ডায়াপার ছাড়া চলতে হয়! কিছু কঠিন এবং কষ্টকর সিদ্ধান্ত নিতে শেখাই অনেক সময় ব্যবধান গড়ে দেয় – নিজের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত সবসময় কিন্তু আরামদায়ক, সুখকর, বা অন্য সবার জন্য আনন্দময় না-ও হতে পারে! কয়েকটা রাস্তার মধ্য থেকে একটা বেছে নিতে হবে, বাকিগুলো ছাড়তে হবে (একটা বেছে নেয়া অনেক আরাম, কয়েকটা ছেড়ে দেয়া কিন্তু খুব কষ্ট!)। অনেকে স্বদেশ-বিদেশ সমস্ত কিছু হাতে রাখতে গিয়ে সবকিছুতেই আধাখাপচাভাবে এগোয়, এবং শেষ পর্যন্ত মনে করে, কষ্ট তো করলাম কিন্তু ফল পেলাম না কেন? মনে রাখতে হবে, আজকের যুগে কষ্ট করলেই যে ফল পাওয়া যাবে এমন কোন কথা নেই – কষ্ট কোথায়, কীভাবে, কেন, কে করছে এগুলোর ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে। এবং এটাও মনে রাখতে হবে, এভারেজ মানুষদের জন্য জীবন কঠিন রূপেই আসবে। সফল হলে অন্যরা অভিনন্দিত করবে, বিফল হলে সেই তারাই আবার বিদ্রূপ করবে – এটাই নিয়ম। এটা মেনে নিতে হবে। জীবনের কাঠিন্য মেনে নেয়া এবং রিয়েলিস্টিকভাবে নিজের গোল সেট করা – এটাই হল কৌশল। আমরা বড় বড় স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসি, বড় বড় গোল সেট করতে ভালোবাসি, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে লেগে থাকতে ভালোবাসি না। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে যে মানুষ লেগে থাকতে পারে, স্বভাবতই সে যুক্তিসঙ্গত উঁচু গোল সেট করতে পারে। মানুষকে সম্ভবত ধৈর্যের চেয়ে বড় কোন শক্তি দেয়া হয় নি। সবাই শুধু শুরু আর শেষটা দেখে, যাত্রাপথ দেখে না বলেই যত ভুল ধারণার সূত্রপাত হয়। সবাই দেখবে আপনি একটা ভালো চাকরি পেয়ে গেছেন অথবা বাইরে যাবার ভিসা পেয়ে গেছেন – কেউ দেখবে না আপনাকে এর জন্য কতটা খাটতে হয়েছে, কত ঘণ্টা লেগে থাকতে হয়েছে কিংবা ক’টা কোম্পানিতে অ্যাপ্লাই করেছিলেন যারা আপনার খোঁজও নেয় নি। অন্যদের দেখাদেখিতে অবশ্য কিছু যায় আসে না – যায় আসে আপনার মানসিকতাতে। কাজেই, সেটিতে মনোযোগ দেয়াই কর্তব্য। ভালো সুযোগ বুঝেশুনে নেয়াটা যেমন বুদ্ধির পরিচয়, খারাপ সুযোগগুলো (অর্থাৎ ট্র্যাপগুলো) ভেবেচিন্তে ছেড়ে দেয়াটাও অনেক বিবেচনা এবং ম্যাচিউরিটির পরিচয়। যে পৌঁছে গেছে সে তো গেছেই। যে পৌঁছে যায় নি কিন্তু দড়ি ধরে ঝুলে আছে, তার হাতের জোর এবং মনের জোরই কিন্তু বেশী। সবাই নিজের জন্য সঠিক দিকটা খুঁজে পাক। শুভকামনা। A realistic plan is always better than a fancy dream. স্বপ্ন দেখার দরকার আছে বৈকি, কিন্তু জেগে ওঠারও দরকার আছে। দ্বিতীয়টির দরকার বেশী। -ইশাক খান

শুভ উদ্বোধনী ।। সেবা পক্ষ 2017 ।।

আমি শিক্ষার্থী! আলোকিত জীবনের অভিযাত্রী! আমি মনোযোগ দিয়ে শিখবো। সময়কে কাজে লাগাবো। জ্ঞানকে সেবায় পরিণত করবো। ক্লাসে ১ম ও জীবনে ১ম হবো।

এই জায়গাটা কে কে চেনেন?

@IQ Test 2015-06-12

70% of people see the same word FIRST! Let's see if that's true. What's the FIRST word YOU see?

আমাদের এই পেজটি অল্প কিছুদিনের মধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হবে. তাই সকল বন্ধুদের আমাদের নতুন গ্রুপ এ যুক্ত হওয়ার জন্য অনুরোধ করছি link: https://m.facebook.com/groups/1522873394655172?view=group&refid=18

Dear students, due to vast inquiry we are mentioning again that those who achieved the minimum requirement for the MBBS entrance exam, should apply immediately for the exam at local/nearby Govt. medical colleges, the date of the admission exam is next 24th October'14. After the publication of result, the candidates who possess 120 marks or above will be able to choose private medical colleges. *details and changes can be made at any time due to Govt. rules

চট্টগ্রাম গভঃ কমার্শিয়াল ইনস্টিটিউটের বন্ধুরা আপনাদের কারো কাছে যদি আমাদের ইনস্টিটিউটের ক্লাস রুম,টাইপ রুম,শিক্ষকদের রুম সহ ক্যাম্পাসের যে কোন ছবি সংগ্রহে থাকে তবে তা পেজ ইনবক্স এ পাঠাতে পারেন। আপনাদের পাঠানো সব ছবি পেজ ওয়াল এ পোস্ট করা হবে নাম সহকারে। আসুন আমরা আমাদের প্রিয় এই ক্যাম্পাসকে আরও পরিচিত করাই নিজেদের প্রচেষ্টায়।।

.. Cngrts .. .. Jara jara valo result korecho .. .. Best of luck ..